এমন সংশয়ের কারণ, ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির দায়ে
ইংল্যান্ডের আদালত সাজা দিয়েছিলেন আমিরকে। ছয় মাস ইংল্যান্ডের সংশোধনী
কেন্দ্রে থাকতে হয় পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারকে। ক্রিকেট থেকেও নিষিদ্ধ
ছিলেন পাঁচ বছরে জন্য। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
ফেরার পর এ বছরের শুরুতে তাঁকে ভিসা দিতে আপত্তি জানায় নিউজিল্যান্ড। পরে
অবশ্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের অনুরোধে আমিরকে
ভিসা দেওয়া হয়, কিউইদের বিপক্ষে ওই সিরিজে তিনি খেলেছেনও।
আগামী ইংল্যান্ড সফরেও আমির একই পরিস্থিতি পড়তে পারেন বলে মনে করছেন ব্রিটিশ আইনজীবীরা। আর যেহেতু তিনি ইংল্যান্ডের আইনে সাজাপ্রাপ্ত, এবার ভিসা পাওয়া নিয়ে সংশয় আরেকটু বেশি। ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফকে দেশটির বেশ কয়েকজন অভিবাসন আইনজীবী জানিয়েছেন, আমিরের ভিসা পাওয়াটা নির্ভর করছে ইংল্যান্ডের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা কীভাবে দেখছে তার ওপর। তবে যেহেতু শাস্তি খাটার পরে আমিরকে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দেশ থেকে জোর করে বহিষ্কার করেনি, ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তারা সদয় হতেই পারে।
দেখা যাক, কী আছে আমিরের ভাগ্যে। টেলিগ্রাফ।
আগামী ইংল্যান্ড সফরেও আমির একই পরিস্থিতি পড়তে পারেন বলে মনে করছেন ব্রিটিশ আইনজীবীরা। আর যেহেতু তিনি ইংল্যান্ডের আইনে সাজাপ্রাপ্ত, এবার ভিসা পাওয়া নিয়ে সংশয় আরেকটু বেশি। ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফকে দেশটির বেশ কয়েকজন অভিবাসন আইনজীবী জানিয়েছেন, আমিরের ভিসা পাওয়াটা নির্ভর করছে ইংল্যান্ডের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা কীভাবে দেখছে তার ওপর। তবে যেহেতু শাস্তি খাটার পরে আমিরকে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দেশ থেকে জোর করে বহিষ্কার করেনি, ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তারা সদয় হতেই পারে।
দেখা যাক, কী আছে আমিরের ভাগ্যে। টেলিগ্রাফ।
0 comments:
Post a Comment