দাবদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে
চলছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টায় আবহাওয়া
অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আজ চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
ছিল চুয়াডাঙ্গায়—৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১১ এপ্রিল
চুয়াডাঙ্গায় এই তাপমাত্রা ছিল।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘনঘন লোডশেডিং জনভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজন চলাচল কমে গেছে। দুপুরের আগেই শহর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। গরমজনিত রোগবালাই বেড়ে চলেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার পর্যবেক্ষণ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে এটাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
তীব্র গরমের কারণে চুয়াডাঙ্গার দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে সময়সূচির পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে সকাল সাতটা থেকে দুই পালা মিলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পাঠদান করানো হতো। তবে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিটি পালায় আট পিরিয়ডের পরিবর্তে চার পিরিয়ড হবে। সে হিসেবে প্রভাতি পালায় সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে নয়টা এবং দিবা পালায় সকাল দশটা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত পাঠদান করা হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজাহার আলী বলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি চলবে।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সবুজপাড়ার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস মহলদার বলেন, তীব্র খরায় আমগাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আম ঝরে গেছে। এতে আমচাষিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন।
সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগের পরামর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, গরমের কারণে শিশুরা ব্যাকটেরিয়াল ডায়রিয়া এবং গায়ে ঘাম বসে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘনঘন লোডশেডিং জনভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজন চলাচল কমে গেছে। দুপুরের আগেই শহর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। গরমজনিত রোগবালাই বেড়ে চলেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার পর্যবেক্ষণ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে এটাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
তীব্র গরমের কারণে চুয়াডাঙ্গার দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে সময়সূচির পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে সকাল সাতটা থেকে দুই পালা মিলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পাঠদান করানো হতো। তবে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিটি পালায় আট পিরিয়ডের পরিবর্তে চার পিরিয়ড হবে। সে হিসেবে প্রভাতি পালায় সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে নয়টা এবং দিবা পালায় সকাল দশটা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত পাঠদান করা হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজাহার আলী বলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি চলবে।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সবুজপাড়ার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস মহলদার বলেন, তীব্র খরায় আমগাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আম ঝরে গেছে। এতে আমচাষিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন।
সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগের পরামর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, গরমের কারণে শিশুরা ব্যাকটেরিয়াল ডায়রিয়া এবং গায়ে ঘাম বসে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।
0 comments:
Post a Comment